গুণগত শিক্ষা বাস্তবায়নঃ প্রেষণা-উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি

 



 
গুণগত শিক্ষা বাস্তবায়নঃ প্রেষণা-উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি 

( নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জান্নাতুল ফেরদৌসী )


"মুখস্থ বিদ্যা ভয়ংকর"- এই বাক্যের সাথে আমরা কম-বেশি সকলেই পরিচিত ।কিন্তু দুঃখের বিষয় আমাদের শিক্ষাব্যস্থায় এই বাক্যটি এখনও বর্তমান।বিশেষ করে"প্রাথমিক স্তরে"।যোগ্যতাভিত্তিক,মূল্যায়নভিত্তিক শিক্ষাক্রম এই স্তরে বাস্তবায়ন হলেও,আসল উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য অর্জন ব্যাহত হয়েছে/হচ্ছে।আমাদের প্রাথমিক স্তরের বড় একটা অংশ জুড়ে রয়েছে নিম্নবিত্ত শ্রেণির ছেলেমেয়ে। এক্ষেত্রে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোই কেবল এই শ্রেণির আওতায় পড়ে।শুধুই পাঠ্যপুস্তক নির্ভর পাঠদান এবং পাঠগ্রহণ এসকল শিশুর জন্য খুবই চাপের ক্ষেত্র হয়ে দাড়িয়েছে।মাল্টিমিডিয়া প্লাটফর্মও যে,খুব বেশি উপকারে আসছে তাও কিন্তু নয়।আমাদের অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যলয়ের অবকাঠামোগত অনুন্নয়ন,শিক্ষকদের উপর অফিসিয়াল কাজের ব্যাপক চাপ-সবকিছু মিলিয়ে পাঠ্যপুস্তকনির্ভর পাঠ,আমাদের প্রাথমিক শিশুদের সঠিক শিখনফল অর্জন ব্যাহত হচ্ছে।

আমাদের বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি এবং ফলপ্রসূ ফলাফল পেতে হলে,অবশ্যই এই স্তরে ''কর্মমূখী শিক্ষাক্রম''-বাস্তবায়ন করতে হবে।কেননা শিশুর শিক্ষার শুরু এখান থেকেই।ভিত মজবুত না হলে,একটা বাড়ি যেমন নড়বড়ে হয়ে যায়;ঠিক তেমনি শিক্ষা গ্রহনের শুরুটা যদি গাদাগাদা বই মুখস্থ করিয়ে/পড়িয়ে শিশুর শিখনে আশানুরূপ ফলাফল পাওয়া যায়না।শুধু প্রাকপ্রাথমিক কেনো,৫বছর মেয়াদি প্রাথমিক স্তরে খেলাধূলা,প্রকৃতির মাঝে থেকে,পর্যবেক্ষণ করে,হাতেকলমে শিখে শিখনফল অর্জন করানোর শিক্ষাক্রম থাকা বাঞ্চনীয়।এতে করে শিশুরা ৫বছরেই নিজেদেরকে একটা নির্দিষ্ট পর্যায়ে দাড় করাতে সক্ষম হবে।কারণ-এমন শিক্ষাক্রমের মাধ্যমে সকল শিশুর সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ অবশ্যম্ভাবী।

Post a Comment

Previous Post Next Post